আসছে শীঘ্রই
উপকূলীয় গ্রামে প্রথম ম্যানগ্রোভ নার্সারি চালু
সবুজ ব-দ্বীপ কর্মসূচির প্রথম ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত।
ব-দ্বীপ বাংলাদেশ, ২০২৩ থেকে
গবেষণা ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের সমন্বয়ে আমরা দুর্যোগ সহনশীল, জলবায়ু-স্মার্ট ও প্রকৃতি-সচেতন কমিউনিটি গড়ে তুলছি — বাংলাদেশের নদী, উপকূল ও ব-দ্বীপ অঞ্চল জুড়ে।
আমাদের অঙ্গীকার
গবেষণা ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্যোগ সহনশীল, জলবায়ু অভিযোজিত ও প্রকৃতি-সচেতন কমিউনিটি গড়ে তোলা — যেখানে মানুষ ও প্রতিবেশ পাশাপাশি টিকে থাকে এবং একসাথে সমৃদ্ধ হয়।
একটি নিরাপদ, সবুজ ও টেকসই ব-দ্বীপ বাংলাদেশ — যেখানে প্রতিটি কমিউনিটি জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম, প্রকৃতির সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে বসবাস করে এবং নিজস্ব ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত থাকে।
২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা
২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই সংগঠনের সামনের পরিকল্পনা — বাস্তব অগ্রগতির তথ্য দিয়ে এই সংখ্যাগুলো নিয়মিত হালনাগাদ হবে।
* উদাহরণস্বরূপ লক্ষ্যমাত্রা — বাস্তব অগ্রগতির তথ্য দিয়ে হালনাগাদ করে নিন।
আমাদের কাজ
প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তব সমস্যা থেকে উঠে আসা — নদী-নির্ভর বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে সামনে রেখে গড়া।
খরা, লবণাক্ততা, বন্যা, নদীভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধি, বজ্রপাত, ভূমিধস, মহামারি, দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষ ও সামাজিক অস্থিরতা মোকাবিলায় প্রতিরোধ, অভিযোজন ও প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ।
উদ্ভিদ, প্রাণী প্রজাতি ও বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য টেকসই সংরক্ষণ ও ব্যবহারের পথ তৈরি।
ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ ও গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাস, পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমন।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুতায়ন, গ্রিন হাইড্রোজেন ও স্মার্ট গ্রিড উদ্ভাবন নিয়ে সচেতনতা তৈরি ও কমিউনিটি-পর্যায়ে বাস্তবায়নযোগ্য সমাধানের সন্ধান।
দায়িত্বশীল ভ্রমণ, অতি-পর্যটনের ঝুঁকি হ্রাস, প্রকৃতি সংরক্ষণ ও স্থানীয় কমিউনিটি-নির্ভর ইকো-ট্যুরিজম মডেল গড়ে তোলা।
স্থানীয় নৃগোষ্ঠী, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক উন্নয়নের সাথে তার সংযোগ ঘটানো।
টেকসই আয়ের সুযোগ, দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও সবুজ উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্যোগ-ঝুঁকিপূর্ণ কমিউনিটিতে স্থায়ী জীবিকার ভিত্তি গড়ে তোলা।
অনানুষ্ঠানিক, উপানুষ্ঠানিক ও কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক ও উচ্চ শিক্ষার প্রসারে কার্যক্রম পরিচালনা, যাতে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরাও মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ পায়।
প্রান্তিক ও কমিউনিটি পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চালু ও পরিচালনা, যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।
দুর্যোগ সহনশীল গ্রামীণ ও শহুরে আবাসন মডেল, বন্যা/ঘূর্ণিঝড়-প্রতিরোধী বসতি, ইকো-হাউজিং স্থাপত্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যকর বসবাসের পরিবেশ তৈরি।
গ্রামীণ ও শহুরে মানুষের জন্য নিরাপদ পানীয় জল, দুর্যোগ সহনশীল স্যানিটেশন সুবিধা, হাইজিন শিক্ষা ও লবণাক্ততা-প্রতিরোধী পানি পরিশোধন ব্যবস্থা।
নেচার-বেসড সলিউশন (NbS), ম্যানগ্রোভ পুনঃবনায়ন, উপকূল সুরক্ষা, খরা ও বন্যা প্রশমন, লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (DRR)।
প্রাতিষ্ঠানিক সেবা
সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারদের জন্য কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত সহযোগিতা।
বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা।
পরিবেশগত ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রকল্প প্রণয়নে কারিগরি পরামর্শ ও কনসালটেন্সি সেবা।
অনুমোদিত প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নে কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত কনসালটেন্সি সেবা প্রদান।
নতুন উদ্যোগ ও প্রকল্পের কারিগরি, আর্থিক ও সামাজিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে সুপারিশ প্রণয়ন।
ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি
বড় লক্ষ্যকে বাস্তবায়নযোগ্য কর্মসূচিতে রূপান্তর করেছি — যাতে প্রতিটি কমিউনিটি সরাসরি অংশ নিতে পারে।
উপকূল, নদীতীর ও গ্রামীণ এলাকা জুড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার কর্মসূচি — কার্বন শোষণ, ঘূর্ণিঝড় প্রশমন ও জীবিকা সৃষ্টির লক্ষ্যে।
কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক — নদীভাঙন, বন্যা ও লবণাক্ততার পূর্ব সতর্কতা তৈরি করে স্থানীয় মানুষকে আগেভাগে প্রস্তুত হতে সাহায্য করে।
দায়িত্বশীল পর্যটন ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের সমন্বিত উদ্যোগ — প্রকৃতি রক্ষা করে স্থানীয় কমিউনিটির জীবিকা ও সংস্কৃতিকে সামনে নিয়ে আসে।
সম্পৃক্ত হোন
সময়, দক্ষতা বা সহযোগিতা — যেভাবেই সম্পৃক্ত হোন, আপনার অবদান সরাসরি কমিউনিটিতে পৌঁছাবে।
মাঠ পর্যায়ের কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ ও কমিউনিটি প্রশিক্ষণে সরাসরি অংশ নিন।
আবেদন করুন →কর্পোরেট সিএসআর, ইএসজি ও কার্বন-নিরপেক্ষতা লক্ষ্যে আমাদের সাথে যুক্ত হন।
যোগাযোগ করুন →সংবাদ ও গল্প
আসছে শীঘ্রই
সবুজ ব-দ্বীপ কর্মসূচির প্রথম ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত।
আসছে শীঘ্রই
কমিউনিটি পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক গঠনের অভিজ্ঞতা।
আসছে শীঘ্রই
ইকো-ট্যুরিজম পরিকল্পনার প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিবেদন।
ফিল্ড গ্যালারি
গবেষণা ও মাঠ পরিদর্শনের প্রকৃত মুহূর্ত — যেখান থেকে আমাদের কর্মসূচিগুলোর জন্ম।
খাল তীর সুরক্ষা কাঠামো — দুর্যোগ সহনশীলতা কর্মসূচির বাস্তব প্রেক্ষাপট।
কেন জলাবদ্ধতা মোকাবিলা জরুরি, তা মাঠ পর্যায়ে প্রত্যক্ষ করা।
গবেষণা-ভিত্তিক কাজের প্রথম ধাপ: স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা নথিভুক্ত করা।
নদী-নির্ভর কমিউনিটির কাছাকাছি গিয়ে সরাসরি পরিস্থিতি যাচাই।
কাশফুল — বাংলাদেশের নদীতীরবর্তী বাস্তুতন্ত্রের একটি পরিচিত রূপ।
নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জীবন-জীবিকা — আমাদের কাজের কেন্দ্রে থাকা মানুষ।
সবুজ ব-দ্বীপ কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় পরিবেশে বৃক্ষরোপণ।
নদীতীরবর্তী এলাকায় বৃক্ষরোপণ স্থান যাচাই ও পরিকল্পনা।
কৃষি ও পরিবেশ সংক্রান্ত কর্মসূচির পরিকল্পনায় মাঠ-পর্যায়ের পরিদর্শন।
হাতে-কলমে দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ — ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার শেখানো হচ্ছে।
বসতি ও শিল্প-কারখানার নিষ্কাশন সরাসরি নদীতে মিশে যাওয়ার দৃশ্য — পরিবেশ দূষণের বাস্তব চিত্র।
নদীতীরবর্তী কমিউনিটির দৈনন্দিন জীবন — আমাদের আবাসন ও স্বাস্থ্যকর বসতি কর্মসূচির প্রেক্ষাপট।
কচুরিপানা ছড়িয়ে থাকা শান্ত নদী — বাংলাদেশের জলাভূমি বাস্তুতন্ত্রের পরিচিত রূপ।
শওকত হোসেন খান
চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা, Delta Eco Foundation
Societies Registration Act, 1860 (Act XXI of 1860)-এর অধীনে নিবন্ধিত একটি স্বেচ্ছাসেবী, অলাভজনক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (পূর্বনাম: Deltaic Research Foundation) — গবেষণা ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের সমন্বয়ে ব-দ্বীপ বাংলাদেশের সুরক্ষায় নিবেদিত।
আমাদের সম্পর্কে
"For a Resilient Earth and Sustainable Communities" — এই লক্ষ্যে Delta Eco Foundation একটি গবেষণা-ভিত্তিক ও মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় সংগঠন। আমরা প্রথমে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সমস্যা চিহ্নিত করি, তারপর সেই প্রমাণের ভিত্তিতে কমিউনিটিতে বাস্তব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করি — যাতে প্রতিটি উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব রাখে।
নদীবিধৌত বাংলাদেশের ভৌগোলিক বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমরা কাজ করি দুর্যোগ সহনশীলতা, আবাসন ও স্বাস্থ্যকর বসতি (Habitat, Housing & Healthy Settlement), পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু কার্যক্রম ও টেকসই উন্নয়নের একাধিক ক্ষেত্র জুড়ে — যেখানে "নেচার-বেসড সলিউশন" (NbS) থাকে সব পরিকল্পনার কেন্দ্রে। কার্যক্রম পরিচালিত হয় বাংলাদেশের গ্রাম ও শহর উভয় অঞ্চলে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও।
আপনার সহযোগিতা, সময় বা দান — প্রতিটি অবদান আমাদের কমিউনিটির কাছাকাছি নিয়ে যায়।
এখনই যোগাযোগ করুন